৬শ মেট্রিক টন সজনের ফলন উৎপাদনের সম্ভাবনা


Buriganga News প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৬, ২০২৩, ৮:২০ অপরাহ্ন /
৬শ মেট্রিক টন সজনের ফলন উৎপাদনের সম্ভাবনা

বুড়িগঙ্গা নিউজ ডেস্ক : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভাসহ ৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসা বাড়ি, পুকুর পাড়ে, রাস্তার দু পাশে পুষ্টিগুনে ভরপুর আঁশ জাতীয় সবজি সজনে বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এ বছর সজনে বিক্রি করে লাভবান হবেন কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে প্রায় ৬০ হেক্টর অকৃষি বা পতিত জমিতে মৌসুমী ও বারোমাসি জাতের সজনার চাষ হয়েছে। যা থেকে ৬ শত মেট্রিক টন সজনে উৎপাদনের সম্ভবনা আছে। এক সময় বাড়ির আশপাশের সীমানায় সজনের গাছ লাগানো হতো।

ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার সিদ্দিক মিয়া জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর সজনের ভালো ফলন হয়েছে। পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি সজনে বাজারে বিক্রি করতে পারবো। বুলাকিপুর ইউনিয়নের বলগাড়ী এলাকার আব্দুল কাদের বলেন, আমার বাড়ির উঠানে ৩টি সজনে আছে। যা আমি গত বছরে ৫ হাজার টাকার সজনে বিক্রি করেছিলাম, এ বছর এর চেয়ে বেশি দামে সজনে বিক্রি করতে পারবে।

বর্তমান সময়ের প্রয়োজনে ও বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা বেশি পরিমানে সজনের চাষ করছেন। মৌসুমের শুরুতে প্রতি কেজি সজনে ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হলেও শেষ সময়ে দাম কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকায়।

সজনের ডাটায় ক্যালসিয়াম, খনিজ, লবন, আয়রনসহ প্রোটিনযুক্ত ভিটামিন এ.বি.সি সমৃদ্ধ। যা মানবদেহের খুবই উপকারী। শরীরে পুষ্টির জন্য গর্ভবতী, প্রসুতি মেয়ের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে বলে ঔষুধি গুনাগুণ সম্পন্ন সবজি হিসাবে এর ব্যাপক চাহিদা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রফিকুজ্জামান বলেন, সজনে মাতৃগাছ থেকে ডাল সংগ্রহ করে চারা রোপণ করা হয়। সজনে তেমন কোন রোগ-বালাই নেই এবং সজনে চাষে খরচ নেই বললেই চলে। তিনি আরও জানান, এটি একটি লাভজনক ফসল এবং এটির ঔষধি গুনাগুনও আছে। এছাড়াও সজনে পাতা ও ডাটা রোদে শুকিয়ে গুড়া করে ঔষধ হিসেবে খাওয়া যায়।

আমাদের ফেসবুক পেইজ