রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়


Buriganga News প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২০, ২০২৩, ৯:৫১ অপরাহ্ন /
রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

বুড়িগঙ্গা নিউজ ডেস্ক :  ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে রাজধানীর সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে। সেখানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। একসঙ্গে ৩৫ হাজার মুসল্লি জামাতে অংশ নিতে পারবেন। এর বাইরে ঈদগাহ ময়দান সংলগ্ন শিক্ষাভবন, জাতীয় প্রেস ক্লাব ও মৎস্য ভবন এলাকার রাস্তা পর্যন্ত মুসল্লি­রা ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারো বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়া রাজধানীর অন্যান্য নির্ধারিত স্থানে ঈদ জামাতের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোথায় কখন, কয়টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে- তা ঘোষণা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় ঈদগাহে আসার সময় দেশলাই অথবা লাইটার সঙ্গে না আনার অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের কারণে সবাইকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানান মেয়র।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও যাতে মুসল্লিরা সুষ্ঠুভাবে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন সে রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, ‘তারপরও যদি সে রকম দুর্যোগ হয়ে থাকে, তাহলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে ঘোষণা আছে যে বায়তুল মোকাররমে বিকল্প হিসেবে ঈদের জামাত হবে। তবে বায়তুল মোকাররমে সকাল থেকেই কিন্তু পাঁচটি জামাতের আয়োজন করা আছে। দুর্যোগ হলে মূলটাই সেখানে বিকল্প হিসেবে চলে যাবে।’

মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনীতিকসহ অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং ঢাকাবাসীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। তিনি বলেন, সবার জন্য সুষ্ঠু আয়োজন করা হয়েছে। অজুখানা, শৌচাগার, নারীদের আলাদা পথ রাখার পাশাপাশি খাবার পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষতি থেকে বাঁচাতে পুরো মাঠে ত্রিপল দেওয়া হয়েছে।

গতবারের তুলনায় এবার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বেশি রাখা হয়েছে জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, এবার চিকিৎসক বেশি রাখা হয়েছে। প্রচণ্ড দাবদাহের কারণে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে যান, তিনি যাতে দ্রুত চিকিৎসা সেবা পেতে পারেন। সিভিল সার্জনসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আলাদা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র করা হয়েছে। সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে ব্যাপক মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মেয়র শেখ তাপস।

আমাদের ফেসবুক পেইজ